মা খন্ডবনের সূচনা করা হলো | রোটারীর সহযোগিতায় আমার পাঠশালায় শুরু হলো আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পাঠদান | ক্যাম্প অফিস পরিদর্শনে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি

1.
মা খন্ডবনের সূচনা করা হলো

আমাদের চারপাশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও গাছ রোপণ ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে এবার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করল বর্ধমানের গাছ গ্রুপ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এই সংগঠনের পক্ষ থেকে গাছ মাস্টার নামে পরিচিত জাতীয় শিক্ষক অরুপ চৌধুরী জানান, রায়ানের খাঁয়ের পুকুর পাড়ে একশোটি আম ও ফলের চারা রোপণ করে ‘মা খন্ডবন’ এর সূচনা করা হল। আগামী দিনে আরও চারশোটি নিম গাছ লাগানোর পরিকল্পনা আছে। বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করেন পূর্ব বর্ধমান জেলার বনাধিকারিক সঞ্চিতা শর্মা, অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সুকল্যাণ বসু, সেখ মিসকিন, বিদ্যুৎ কূন্ডু, সৌম্যকান্তি কারফর্মা সহ রায়ান হাইস্কুলের ছাত্রছাত্রীরা। বিশিষ্টরা সকলেই বলেন, এই ধরনের খন্ডবন প্রকৃতিকে আরও সুরক্ষিত রাখবে। এই ধরনের প্রচেষ্টা অন্যত্রও গ্রহণ করতে হবে।

2
রোটারীর সহযোগিতায় আমার পাঠশালায় শুরু হলো আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পাঠদান

সারা বছর বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজে নিয়োজিত রয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আমার পাঠশালা। বর্ধমানের নবাবহাট সংলগ্ন তালপুকুরে সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া শিশুদের নিয়ে তারা একসময় শুরু করেছিল নিঃশুল্ক পাঠদান কর্মসূচী। বর্তমানে রোটারী ক্লাব অফ বর্ধমান সাউথের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে আমার পাঠশালা শুরু করেছে বয়স্ক সাক্ষরতা কর্মসূচী। নতুন এই কর্মসূচীতেও তারা যথেষ্ট সফল। নিঃশুল্ক শিশু শিক্ষা ও বয়স্ক সাক্ষরতা কর্মসূচীকে আরও মনোগ্রাহী, আরও চিত্তাকর্ষক ও আনন্দদায়ক করে তোলার জন্য রোটারী ক্লাব অফ বর্ধমান সাউথের পক্ষ থেকে আমার পাঠশালার হাতে অর্পণ করা হলো – প্রজেক্টর, প্রজেকশন স্ক্রীন ও সাউন্ড সিস্টেম। অনুষ্ঠানে রোটারী ক্লাব অফ বর্ধমান সাউথ-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সুব্রত মুখার্জী, শুভেন্দু দ্বিবেদী, সুজয় মিত্র, স্বপন ঘোষ ও অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। আমার পাঠশালার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মিন্টু পান্ডে, রাজকুমার লাহা, সুবোধ মালিক এবং সন্দীপ পাঠক। আমার পাঠশালার সম্পাদক সন্দীপ পাঠক জানান, এই ধরনের সময়োপযোগী শিক্ষা উপকরণ আমাদের নিঃশুল্ক শিশু শিক্ষা এবং বয়স্ক সাক্ষরতা কর্মসূচীর শিক্ষার্থীদের পাঠ গ্রহণের প্রতি যেমন আগ্রহ বাড়াবে, তেমনই আমরাও পাঠদান পদ্ধতিকে আনন্দদায়ক ও মনোগ্রাহী করে তুলতে পারবো। এই ব্যবস্থা শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে সব বয়সের প্রশিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াবে।

3
ক্যাম্প অফিস পরিদর্শনে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি

তৃণমূল কংগ্রেসের শহীদ তর্পণ দিবস পালিত হল একুশে জুলাই। লাখো লোকের সমাবেশ হয় ধর্মতলায়। বর্ধমান, বীরভূম সহ একাধিক জেলার কর্মী সমর্থকরা বাস ভর্তি করে যান জাতীয় সড়ক ধরে। তাই জামালপুরের জাতীয় সড়কে মসাগ্রাম ও জৌগ্রামে দুটি ক্যাম্প অফিস করা হয়। দূরের জেলা থেকে আসা কর্মী সমর্থকদের সহায়তা প্রদান করা হয়। এদিকে রবিবার কলকাতা যাবার পথে সেই ক্যাম্পে এসে প্রস্তুতির খোঁজ খবর নেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তার সঙ্গে ছিলেন দুই বিধায়ক নিশীথ মালিক ও নেপাল ঘড়ুই। ছিলেন জামালপুরের বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহেমুদ খান , কার্যকরী সভাপতি ভূতনাথ মালিক সহ স্থানীয় নেতৃত্বরা। সেখানে কিছুক্ষণ কাটিয়ে তারা আবার কলকাতার দিকে রওনা দেন। এ প্রসঙ্গে মেহেমুদ খান বলেন, জেলা সভাপতি কলকাতা যাচ্ছিলেন। যাবার পথে তারা ক্যাম্পগুলি পরিদর্শন করেন। উপস্থিত নেতৃত্ব ও কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলে তারপর কলকাতা চলে যান। ব্যবস্থাপনা দেখে তারা খুশি হয়েছেন। এই ক্যাম্প থেকেই ২১ জুলাই ধর্মতলার পথে যাওয়া তৃণমূলের কর্মীদের পরিষেবা প্রদান করা হয়।