1
পাঁচদিনব্যাপী ওডিসি নৃত্যের কর্মশালা
ডিয়াক পারফর্মিং আর্ট এন্ড কালচার ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে পাঁচদিনব্যাপী ওডিসি নৃত্যের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হলো বর্ধমানে। বিশিষ্ট ওডিসি নৃত্যশিল্পী কলাশ্রী পৌলমী মুখার্জীর পরিচালনায় এই কর্মশালায় ৪৬ জন প্রশিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নেন। বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পীদের উপস্থিতিতে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালার শেষ দিনে প্রশিক্ষার্থীদের হাতে শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়। এই পর্বে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমানের বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী শান্তনু চক্রবর্তী, ডিয়াক এর ডিরেক্টর অভিজিৎ দাস, ডিয়াক এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ইন্দ্রজিৎ চ্যাটার্জী, লব দাস বৈরাগ্য প্রমুখ। তারা প্রত্যেকেই এই প্রশিক্ষার্থীদের নৃত্য প্রশিক্ষণ প্রত্যক্ষ করেন ও তাদের ভবিষ্যৎ জীবনে আরও সাফল্য কামনা করেন। উড়িয়া ভাষায় এই প্রশিক্ষার্থীদের প্রশংসা করে বক্তব্য রাখেন লব দাস বৈরাগ্য। (পজ্)
পৌলমী মুখার্জী বলেন, এই ধরনের কর্মশালা যারা শাস্ত্রীয় নৃত্যশিক্ষা গ্রহণ করছেন তাদের কাছে খুবই উপযোগী। এখানে প্রশিক্ষণ লাভের মধ্যে দিয়ে তারা তাদের নৃত্যের গুণগতমান আরও উন্নত করতে পারবেন। যা তাদের ভবিষ্যৎ জীবনে একজন প্রকৃত শিল্পী হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।
2
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে বনদপ্তরে অনুষ্ঠান
বিশ্ব পরিবেশ দিবসকে সামনে রেখে বর্ধমান বনদপ্তরে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার, জেলা পরিষদের বনদপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ নিত্যানন্দ বন্দোপাধ্যায়, জেলাশাসক আয়েশা রাণী এ, পুলিশ সুপার সায়ক দাস, বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকার, প্রাক্তন বিধায়ক উজ্জ্বল প্রামাণিক, জেলা বনাধিকারিক সঞ্চিতা শর্মা প্রমুখ। এই অনুষ্ঠানে স্বপন দেবনাথ বলেন, এখানে বনদপ্তরের অধীনে জুলজিক্যাল পার্ক রয়েছে। তাকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। এটা সবটাই সম্ভব হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায়। তিনি জানান, এখানে তিনটি চিতাবাঘকে উত্তরবঙ্গ থেকে নিয়ে আসা হয়েছে। এই তিনটির নামকরণও করা হয়েছে। একটির নাম প্রিয়া, আর একটির নাম শ্রেয়া। আর পুরুষ চিতা বাঘটির নামকরণ করা হয়েছে প্রতাপ। বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সকলের কাছে একটাই আহ্বান জানাবো, আমাদের পারিপার্শ্বিক পরিবেশকে সকলে সুস্থ রাখুন, স্বাভাবিক রাখুন। তাহলে আমরা প্রত্যেকেই নিজেরাও সুস্থ ও স্বাভাবিক পরিবেশে বেঁচে থাকতে পারবো।
জেলা বনাধিকারিক সঞ্চিতা শর্মা বলেন, প্রতিবছর বিশ্ব পরিবেশ দিবসে এখানে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে একদিকে যেমন ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত থাকেন, তেমনই বহু সাধারণ মানুষও আসেন। এবারে এখানে বেশ কয়েকটি পশু পাখিকে নিয়ে আসা হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে তিনটি চিতা বাঘ। তাদের নামকরণও করা হয়েছে। তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণের ব্যাপারে বন দপ্তরের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়ে থাকে। বৃক্ষরোপণ ও তার সংরক্ষণেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এদিন বিশ্ব পরিবেশ দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। এখানে বহু রক্তদাতা এদিন রক্তদান করেন।
3
কাউন্সিলরের জন্মদিনে রক্তদান শিবিরের আয়োজন
আর পাঁচটা মানুষের জন্মদিনের মতো শুধুমাত্র কেক কেটে কিংবা মোমবাতি জ্বালিয়ে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করা হয়নি। বরং এর পাশাপাশি রক্তদান শিবিরের আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বর্ধমান শহরের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের জন্মদিনটি পালন করলেন ওই ওয়ার্ডের তৃণমূলের নেতৃত্ব ও কর্মীবৃন্দ। এই উপলক্ষ্যে ওয়ার্ডে একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। যে শিবিরে ৭০ জন রক্তদাতা রক্ত দান করেন বলে জানা যায়। এদিন এই শিবির আয়োজনে বিশেষ ভূমিকা নেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব আকাশ সিং ও অন্যান্যরা। তাদের কথায়, কাউন্সিলরের জন্মদিনটি আমরা একেবারেই অন্যরকম ভাবে পালন করেছি। সামাজিক কাজের মধ্যে যুক্ত থেকে এই দিনটি উদযাপনের একটা বাড়তি গুরুত্ব আমরা অনুভব করতে পেরেছি। এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন কাউন্সিলর শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি তার সুস্থ জীবন কামনা করেন।
শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যেভাবে এখানকার তৃণমূলের নেতৃত্ব ও কর্মীরা আমার জন্মদিনটি পালন করেছেন তাতে আমি অভিভূত ও আপ্লুত। আমি তাদের প্রত্যেককে অভিনন্দন জানাই।
প্রসঙ্গত, এদিন বর্ধমান ইউনিভার্সিটি কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকেও বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সংগঠনের ইউনিয়ন অফিস প্রাঙ্গণে শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন পালন করা হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে ভূমিকা তাকে সাধুবাদ জানান উপস্থিত নেতৃত্ব ও কর্মীরা। শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমার সহযোদ্ধারা এখানে যেভাবে আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তারজন্য তাদের আমি ধন্যবাদ জানাই ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। তারা এই সম্বর্ধনা জ্ঞাপনের মধ্যে দিয়ে আমার সামাজিক দায়বদ্ধতা আরও বাড়িয়ে দিলেন। আমি চেষ্টা করবো সেই দায়বদ্ধতা পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ হতে।


