1
ধুমধাম সহকারে হলো ওলাইচণ্ডী মায়ের পুজো
বর্ধমান শহরের ভাতছালায় ওলাইচন্ডী মায়ের পুজোর আয়োজন করা হয়েছিল। এলাকার মানুষের সহযোগিতায় খুব ধুমধাম করে এই পুজো করা হয়। এই পুজোকে কেন্দ্র করে বহু ভক্তের সমাগম ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা যায়, একটা সময় এখানে বিভিন্ন রকম রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছিল। তার থেকে মুক্তি পাবার লক্ষ্যেই মা ওলাইচণ্ডীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে এখানে মায়ের পুজো শুরু করা হয়। ভক্তরা সারাদিন উপোস করে থাকার পর সন্ধ্যায় পূজার্চনায় অংশ নেন। যারা বছরে বিভিন্ন সময় মায়ের কাছে মানত করে থাকেন তারা পার্শ্ববর্তী পুকুর থেকে মায়ের মন্দির পর্যন্ত দণ্ডী কাটেন। এই রীতি পালনের মধ্যে দিয়ে ভক্তরা এদিন মন্দিরে পুজোয় অংশ নেন।
2
দেশের সনাতন ঐতিহ্য সর্বধর্ম সমন্বয়কে রক্ষার আহ্বান কংগ্রেস নেতৃত্বের
এ দেশের শতাব্দী প্রাচীন দল হল জাতীয় কংগ্রেস। আর এই জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম লক্ষ্য হলো ভারতের সনাতন যে ঐতিহ্য তাকে সুরক্ষিত রাখা, তার ধারাবাহিকতাকে বজায় রাখা, তাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আর সেই ঐতিহ্যের মূল লক্ষ্যই হলো সর্বধর্ম সমন্বয়। যা আজকের দিনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশ্নচিহ্নের সামনে এসে দাঁড়াতে শুরু করেছে। কিন্তু এই যাবতীয় প্রশ্নকে অবদমিত করে আমাদের দেশের মূল যে ধারা সেই সর্বধর্ম সমন্বয়কে আমাদের এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সেই লক্ষ্যেই আমরা পথ চলবো বলে উল্লেখ করলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা কংগ্রেসের বিশিষ্ট নেতৃত্ব তথা চ্যাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট শ্যামাদাস বন্দোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ভারতের বুকে সম্প্রতি যে দল দেশকে শাসন করছে সেই ভারতীয় জনতা পার্টির লক্ষ্য হলো বিভেদের রাজনীতি করা। আর এই বিভেদের রাজনীতি করতে গিয়ে তারা সম্প্রদায়গত বিভেদ তৈরীর একটা প্রক্রিয়া জারি রেখেছে। জাতপাত-ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করাটাই হলো তাদের অন্যতম লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই তারা এই দেশকে ধর্মীয় মেরুকরণের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে। দেশের যাবতীয় উন্নয়নের গতি এর ফলে স্তব্ধ হয়ে গেছে। খালি ধর্মের নামে রাজনীতি করাটাই একমাত্র লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জাতীয় কংগ্রেস মনে করে ভারতবর্ষকে তার নিজস্ব অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে হবে। যে সমস্ত মানুষরা বিজেপির দ্বারা বিভ্রান্ত হয়েছেন তাদের বোঝাতে হবে। কোনোভাবেই যাতে বিভেদের রাজনীতি আমাদের স্পর্শ করতে না পারে সে দিকটা লক্ষ্য রাখতে হবে। তাই কংগ্রেসের নেতৃত্ব ও কর্মীরা এই রাজ্য সহ পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন শহর ও গ্রামাঞ্চলে পথে নেমে আজ মানুষদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন। ধর্মীয় মেরুকরণ যে কোনো সমস্যার সমাধান করে না সে কথা উপলব্ধি করাচ্ছেন। মানব কল্যাণে তাই সকলকে নিয়োজিত হওয়ার কথা বলছেন কংগ্রেস কর্মীরা। আর সেই কাজটাই আমরা আগামী দিনে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই বলে উল্লেখ করলেন শ্যামাদাসবাবু।
3
পরিবেশবান্ধব কচুরিপানা থেকে শিল্প সামগ্রী তৈরীর প্রশিক্ষণ পূর্বস্থলীতে
পরিবেশবান্ধব কচুরিপানাকে সঠিকভাবে ব্যবহারের মধ্যে দিয়ে নানান শিল্প সামগ্রী তৈরী করা সম্ভব। যা যেকোনো বাড়ি সহ হোটেল ও রেস্তোরাঁর শোভা বর্ধন করবে। এমনকি সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের শোভা বর্ধনেও তা সহায়ক হবে। আর তাই এই কচুরিপানা দিয়ে শিল্প সামগ্রী তৈরীর প্রশিক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। এমনটাই মন্তব্য করলেন পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। প্রসঙ্গত, রাজ্যের খাদি ও গ্রামীণ শিল্প পর্ষদ এবং পূর্বস্থলী ১ ব্লক প্রশাসনের সহযোগিতায় কোবলাতে কুড়িজন মহিলাকে নিয়ে হস্তশিল্প সামগ্রী প্রস্তুতির প্রশিক্ষণ শিবির শুরু করা হয়েছে। এখানে কচুরিপানা শুকিয়ে বিভিন্ন ডিজাইনের শিল্পসমগ্রী তৈরী করার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে ফুলদানি, ব্যাগ, ম্যাট, ঝুড়ি ইত্যাদি। স্বপনবাবুর কথায়, এই কচুরিপানা আগামী দিনে ক্ষুদ্র কুটির শিল্পের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য দিশা দেখাবে। স্থানীয় এলাকায় খালবিলে জন্মানো কচুরিপানাই আয়ের উৎস হয়ে উঠবে। গ্রামীণ শিল্পীদের কাছে তারা এই সমস্ত শিল্প-সামগ্রী বিক্রয়ের মাধ্যমে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হয়ে উঠবে।


