1
গ্যাসের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় সরকারকে তোপ কীর্তি আজাদের
এলপিজি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কারণে কেন্দ্রকে তীব্র আক্রমণ করলেন বর্ধমান–দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূলের সাংসদ কীর্তি আজাদ। বর্ধমানে তৃণমূলের জেলা কার্যালয়ে ১৯ মার্চ আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে একাধিক ইস্যু তুলে ধরেন তিনি। গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গে কীর্তি আজাদ বলেন, সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী অযোধ্যার রাম মন্দিরে ‘সীতার রসুই’ পর্যাপ্ত এলপিজি না থাকায় কার্যত বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে গৃহস্থালী এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৬৫ টাকা বৃদ্ধি দেশের লক্ষ লক্ষ দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের উপর বাড়তি চাপ তৈরী করেছে। কীর্তি আজাদ জানান, ১২ মার্চ লোকসভায় সম্পূরক অনুদান নিয়ে আলোচনার সময় সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে মূল্যবৃদ্ধিকে যুক্তিযুক্ত করার চেষ্টা করেন। অথচ তার কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী প্রকাশ্যে বলেন, দেশে কোনও গ্যাস সংকট নেই এবং বিরোধীরা ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে। কেন্দ্রেরএই দুই অবস্থানের মধ্যে স্পষ্ট বৈপরীত্য রয়েছে বলে দাবি কীর্তি আজাদের। তাঁর প্রশ্ন, যদি দেশে গ্যাসের কোনও সংকট না থাকে, তাহলে কেন সাধারণ মানুষকে বারবার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বোঝা বইতে হচ্ছে?
এই ইস্যুতেই কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির তীব্র সমালোচনা করেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি সাধারণ মানুষের স্বার্থে অবিলম্বে এলপিজি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি পুনর্বিবেচনার কথা উল্লেখ করেন।
2
প্রয়াত কংগ্রেস নেতা নুরুল ইসলামকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন
একদা জাতীয় কংগ্রেসের লড়াকু নেতা তথা কালনা বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক প্রয়াত নুরুল ইসলামকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হলো পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে। এই স্মরণ অনুষ্ঠানে নুরুল ইসলামের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল প্রামাণিক, তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব তথা প্রবীণ আইনজীবী আজিজুল হক, জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি দেবু টুডু প্রমুখ। এ প্রসঙ্গে উজ্জ্বল প্রামাণিক বলেন, আমরা যখন রাজনীতির ময়দানে ৭০-৮০ দশকে বিভিন্ন নেতৃত্বের নাম শুনছি, তখন নুরুল ইসলাম ও প্রদীপ ভট্টাচার্যের নাম পূর্ব বর্ধমান জেলার রাজনীতিতে উজ্জ্বল হয়ে ছিল। নুরুল ইসলাম ছিলেন একজন লড়াকু নেতা। যিনি সত্তর এবং আশির দশকে রাজ্যের তৎকালীন শাসক দল সিপিআইএমের বিরুদ্ধে সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করেছিলেন। অত্যন্ত রাজনীতি সচেতন ও পরোপকারী এই নেতৃত্বের যুবসমাজের প্রতি প্রভূত দায়বদ্ধতা ছিল। তার হাত ধরে সেই সময় বহু ছেলে চাকরি পেয়েছেন। এর ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত বহু পরিবার উপকৃত হয়েছে। তাই এই মহান ব্যক্তিত্বের প্রতি আমরা এদিন শ্রদ্ধা জানালাম তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে। যদিও তিনি কোনোদিন তৃণমূল কংগ্রেস করেননি, আমৃত্যু কংগ্রেসী ছিলেন। তবু তার মতো একজন লড়াকু নেতাকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করাটা আমরা কর্তব্য বলে মনে করেছি। সেই জায়গা থেকে দাঁড়িয়েই তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হলো।


