অভিষেকের নির্দেশে জামালপুরে এসআইআর আতঙ্কে মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন সাংসদ ও বিধায়ক
তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশে জামালপুরে এসআইআর আতঙ্কে মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। কিছুদিন আগেই কেরালায় শ্রমিকের কাজ করতে গিয়ে এসএইআর আতঙ্কে আত্মহত্যা করেন পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে নবগ্রামের বাসিন্দা বিমল সাঁতরা। সেইসময় তার বাড়িতে এসেছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ও রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। এবার দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে নবগ্রামে মৃত বিমলবাবুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে আসেন রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম ও পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। সঙ্গে ছিলেন জামালপুরে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান, বিধায়ক তথা জেলার এসসি – ওবিসি সেলের জেলা সভাপতি অলোক কুমার মাঝি, এসটি সেলের জেলা সভাপতি তারক টুডু, সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক, যুব সভাপতি উত্তম হাজারী, শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি তাবারক আলী মন্ডল, মহিলা নেত্রী কল্পনা সাঁতরা সহ স্থানীয় নেতৃত্বরা । বিমলবাবুর বাড়িতে গিয়ে তারা তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে, সমবেদনা জানিয়ে পাশে থাকার বার্তা দেন। নরেন্দ্রনাথবাবু বলেন, তাদের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তারা এখানে এসেছেন। সারা রাজ্যজুড়ে বিজেপি এই এসআইআর-এর নামে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে চাইছে। সকলকে কাগজ জোগাড় করার মাধ্যমে বিভ্রান্ত করতে চাইছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁদের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সকলকে আশ্বস্ত করেছেন, একটি বৈধ নামও তাঁরা বাদ যেতে দেবেন না। তাই কেউ অহেতুক ভয় পাবেন না। সকলের সাথে তৃণমূল কংগ্রেস আছে। তিনি বলেন, বাংলার মানুষ এগুলো খুব ভালো ভাবে নিচ্ছে না। আগামী নির্বাচনে সব উসুল করে নেবেন তারা। উপযুক্ত জবাব পাবে বিজেপি। মেহেমুদ খান বলেন, তাঁদের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আজ রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম ও তাদের অত্যন্ত কাছের বিধায়ক তথা পশ্চিম বর্ধমানে দলের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এখানে এসেছিলেন। তারা দলের পক্ষ থেকে বিমলবাবুর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে তাদের সর্বোতভাবে পাশে থাকার বার্তা দেন। তিনি বলেন, এসআইআর নিয়ে কেউ আতঙ্কিত হবেন না। যেকোনো সমস্যায় তৃণমূল কংগ্রেস , তাঁদের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁদের সর্বোচ্চ নেত্রী রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী পাশে থাকবেন। একটিও বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে না। অহেতুক আতঙ্কিত হয়ে কোনো ভুল পথে যাবেন না।


