বাংলার স্বার্থে তৃণমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই চান স্বপন | জনসংযোগে গুরুত্ব মন্ত্রী স্বপনের


1
বাংলার মানুষের স্বার্থে তৃণমূলকেই চাই, বাংলার মানুষের স্বার্থে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই চাইঃ স্বপন

বাংলার মানুষের স্বার্থে তৃণমূলকেই চাই, বাংলার মানুষের স্বার্থে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই চাই। এটাই হলো আমাদের আগামী বিধানসভা নির্বাচনের মূল লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্যেই ভোটের প্রচারে ইতিমধ্যেই আমি পথে নেমে পড়েছি। ভোটের প্রচার শুরু হয়ে গেছে বলে উল্লেখ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক স্বপন দেবনাথ। বর্ধমান টাউন হলে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এই কথাগুলি বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্যে ২০১১ সালে পরিবর্তন হয়েছে। পরিবর্তনের অর্থ লক্ষীর ভান্ডার, স্বাস্থ্য সাথী, কৃষক বন্ধু, যুব সাথী ইত্যাদি প্রকল্পের সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। এটাই তো পরিবর্তন। আর কেন্দ্রে যে সরকার রয়েছে তারা প্রকল্প ঘোষণা করে, কিন্তু কোনো কাজ করে না। ক্ষমতায় আসার আগে বলেছিল দেশের কালো টাকা উদ্ধার করে প্রত্যেকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে পাঠিয়ে দেবে। আজও পর্যন্ত সেই টাকা কেউ পাননি। মন্ত্রী এবার সাইকেলে প্রচার করবেন কিনা এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এবারে হয়তো সাইকেলে প্রচার করা সম্ভব হবে না। তবে হেঁটে হেঁটে প্রচারে তিনি গুরুত্ব দেবেন বলে জানান স্বপন দেবনাথ। দেওয়াল লিখনের প্রাথমিক কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। বিভিন্ন দেওয়ালে চুন লাগানো হয়েছে। লেখা শীঘ্রই শুরু হবে। স্বপনবাবু বলেন, আমাদের প্রত্যেক নেতৃত্বকে প্রতিদিন চারটি করে সভা করলেই হবে। এই সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে সমস্ত প্রকল্প সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন, যে সমস্ত উন্নয়নের কাজ করেছেন সেই বার্তা সকলের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের জয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয় সুনিশ্চিত করতে হবে। স্বপন বলেন, দলে যেই প্রার্থী হোন তার হয়ে প্রত্যেককেই প্রচারে নেমে পড়তে হবে। এখানে দল আসল। দলের জয়কে সুনিশ্চিত করতে হবে।

2
জনসংযোগে গুরুত্ব মন্ত্রী স্বপনের

বর্ধমান শহরের টাউন হলে অনুষ্ঠিত হলো “আমি বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধা” শীর্ষক কর্মসূচী। এই কর্মসূচীতে অংশ নেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী সহ একাধিক বিধায়ক ও তৃণমূলের নেতৃত্ববৃন্দ। এই অনুষ্ঠানে কিভাবে ডিজিটাল মাধ্যমে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রচার করা যায়, জনসংযোগ কিভাবে আরও বৃদ্ধি করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। স্বপন দেবনাথ বলেন, যুবকর্মীদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের মধ্যে দিয়ে রাজ্যের উন্নয়নের কথা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মস্তিষ্কপ্রসূত বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। দলীয় সংগঠনকে আরও সংগঠিত করতে হবে। এদিন জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রাসবিহারী হালদারের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুবকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।