1
ঘটোত্তলনের মধ্যে দিয়ে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে শুরু হলো দুর্গোৎসব
রাঢ় বঙ্গের দেবী সর্বমঙ্গলা মায়ের মন্দিরে দুর্গাপুজোর সূচনা হলো ৫ আশ্বিন সোমবার। এদিন সকালে শোভাযাত্রা সহকারে বর্ধমানে কৃষ্ণসায়র থেকে ঘটোত্তলন করা হয়। পরে মন্দিরে এসে সেই ঘট প্রতিস্থাপন করা হয়। এরপর প্রতিপদাদি কল্পারম্ভ ও নবরাত্রিক চণ্ডীপাঠ সহ ব্রতারম্ভ শুরু হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পাদক স্বামী অজ্ঞেয়ানন্দজী মহারাজ, সারদা মঠের অধ্যক্ষ স্বামী দুর্গেশানন্দজী মহারাজ, পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক আয়েশা রাণী এ, জেলা আরক্ষাধ্যক্ষ সায়ক দাস, বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকার, বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান উজ্জ্বল প্রামাণিক, সদর মহকুমা শাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস প্রমুখ। এ প্রসঙ্গে শ্রী শ্রী সর্বমঙ্গলা ট্রাস্ট বোর্ডের অন্যতম সদস্য সঞ্জয় ঘোষ জানান, প্রতিপদে ঘটোত্তলনের মধ্যে দিয়ে এখানে নবরাত্রি পুজোর সূচনা হলো। প্রতিপদ থেকে দশমী পর্যন্ত প্রতিদিনই মা দুর্গার পূজার্চনা করা হবে। ধর্মীয় রীতি নীতি মেনে উপস্থিত পুরোহিতরা প্রতিদিন পুজোর আয়োজন করবেন। (পজ্)
2
মহালয়ায় গঙ্গায় তর্পণ সারলেন মন্ত্রী
মহালয়ার পুণ্য লগ্নে পূর্ব বর্ধমান জেলার ধাত্রীগ্রামের মালতীপুর ঘাটে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্য তর্পণ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। এদিন এই তর্পণ কাজে তাকে উপস্থিত পুরোহিতরা সহযোগিতা করেন। এদিন মালতীপুর ঘাটে প্রচুর মানুষের সমাগম হয়। অনেকেই গঙ্গাস্নান করেন ও পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করেন। প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখানে নজরদারি ছিল চোখে পড়ার মতো। (পজ্)
3
মহালয়ার পুণ্য তিথিতে শহরে শ্রী শ্রী চৈতন্য সেতুর প্রবেশদ্বার উদঘাটন
বর্ধমান শহরের আলমগঞ্জে শ্রী শ্রী চৈতন্য সেতুর প্রবেশদ্বার উদঘাটন ও শ্রী শ্রী মহাপ্রভু চৈতন্যদেবের একটি পূর্ণাবয়ব মূর্তি স্থাপন করা হলো। এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্র জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তথা সাংসদ শতাব্দী রায়, মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতো, বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস, জনপ্রিয় টিভি সিরিয়ালের অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায়, লালবাবা রাইসের কর্ণধার সনৎ নন্দী, পার্থ নন্দী সহ বিশিষ্ট অতিথিবর্গ। ছিলেন এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আয়োজক তথা ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নাড়ুগোপাল ভকত। অনুষ্ঠানে শতাব্দী রায় বলেন, এখানে মহাপ্রভুর নামে যে প্রবেশদ্বার তৈরী হয়েছে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ। আমি এই প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই। তিনি বলেন, সামনেই দুর্গোৎসব। সকলের খুব ভালো কাটুক। একনাগারে বৃষ্টি হয়েছে। পুজোর কটা দিন যাতে বৃষ্টি না হয় মায়ের কাছে সেটাই প্রার্থনা করছি।(পজ্)
দিতিপ্রিয়া বলেন, খুব ভালো লাগছে এখানে উপস্থিত থাকতে পেরে। এখানে এসে মানুষের যে ভালোবাসা পেলাম তাতে আমি আপ্লুত। নাড়ুগোপাল ভকত যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তাকে সাধুবাদ জানাই। জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের আহ্বানে সাড়া দিয়ে এখানে উপস্থিত থাকতে পেরে আজ খুবই ভালো লাগছে। ভবিষ্যতে আবারও এখানে আসার চেষ্টা করবো। (পজ্)
অনুষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতো ও বিধায়ক খোকন দাস। (পজ্)


