৬ ডিসেম্বর ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে একতা দিবস পালন এসএফআইয়ের II খন্ডঘোষে বিধায়কের উদ্যোগে সংহতি দিবস পালন II দেশের ধর্মনিরপেক্ষতাকে রক্ষার স্বার্থেই সংহতি দিবস পালন, জানালেন রবীন্দ্রনাথ

 

1
৬ ডিসেম্বর ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে একতা দিবস পালন এসএফআইয়ের

দেশের ধর্মনিরপেক্ষতা ধ্বংসের চেষ্টার কালা দিনে ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের পক্ষ থেকে দেশজুড়ে ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে চলছে “একতা এক্সপ্রেস”। ৬ ডিসেম্বর বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের গেটে ভারতের ছাত্র ফেডারেশন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় ও বর্ধমান শহর লোকাল কমিটির পক্ষ থেকে দেশের সাম্প্রদায়িকতা রক্ষার দাবিতে, বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর সর্বত্র ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে, মৌলবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র সমাজকে এক হওয়ার ডাক দিয়ে এই “একতা এক্সপ্রেস” কর্মসূচী পালন করা হয়। এদিনের কর্মসূচীতে সভাপতিত্ব করেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় লোকাল কমিটির সভাপতি রানা দাস। বক্তব্য রাখেন এসএফআই পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সন্দীপ মণ্ডল ও জেলা সম্পাদক উষসী রায় চৌধুরী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান শহর লোকাল কমিটির সভাপতি সৌরভ দাস। এদিন বক্তব্যের শেষে গান গেয়ে একতার কথা বলেন বামপন্থী শিল্পী রুশো রায়চৌধুরী। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন স্কুল কলেজের গেটে এই কর্মসূচী পালন করা হয় বলে ছাত্র সংগঠন সূত্রে জানা গেছে।

 

2
খন্ডঘোষে বিধায়কের উদ্যোগে সংহতি দিবস পালন

রাজ্যজুড়ে ৬ ডিসেম্বর সংহতি দিবস পালন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের বিভিন্ন ব্লক, পুরসভা, শহরে কর্মসূচীর ডাক দিয়েছিল তারা। সেই মতোই পূর্ব বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষ বিধানসভার বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগের উদ্যোগে পালিত হল সংহতি দিবস। এই উপলক্ষ্যে খণ্ডঘোষ হাসপাতালে টিফিন সামগ্রী তুলে দেওয়া হল হাসপাতালের রোগী সহ ডাক্তার নার্স এবং স্টাফেদের হাতে। প্রসঙ্গত ১৯৯২ সালে এই দিনেই বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয়েছিল। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং বিজেপির তরফ থেকে দেড় লাখেরও বেশি মানুষকে নিয়ে জমায়েত করা হয়েছিল সেই মসজিদ চত্বরে। সেখানে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। কিন্তু ভারতবর্ষ হলো ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। এখানে বিভিন্ন ধর্ম, জাতি, বর্ণের মানুষ বসবাস করার অধিকার রাখেন। তাই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন ধর্ম যার যার উৎসব সবার। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী সারা রাজ্যজুড়ে সংহতি দিবস পালন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। তারাও পূর্ব বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষ ব্লকে সামাজিক কাজের মধ্যে দিয়ে সংহতি দিবস পালন করেছেন বলে জানালেন বিধায়ক।

 

3
দেশের ধর্মনিরপেক্ষতাকে রক্ষার স্বার্থেই সংহতি দিবস পালন, জানালেন রবীন্দ্রনাথ

পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ৬ ডিসেম্বর সংহতি দিবস পালন করা হলো। এদিন দলের জেলা কার্যালয়ে এই উপলক্ষ্যে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। শিবিরে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের মন্ত্রী তথা পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক স্বপন দেবনাথ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার, প্রাক্তন দুই সভাধিপতি দেবু টুডু ও শম্পা ধাড়া, বিধায়ক খোকন দাস, পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলাম, জেলা পরিষদের মেন্টার মহঃ ইসমাইল, বর্ধমান শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তন্ময় সিংহ রায় প্রমুখ। এদিন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমাদের ভারতের সংবিধান সব ধর্ম, সব সম্প্রদায়, সব জাতের মানুষকে এদেশে বসবাসের অধিকার দিয়েছে। আমরা ধর্মনিরপেক্ষতার চরিত্রকে প্রাধান্য দিয়ে সব ধর্মের মানুষ এখানে বসবাস করি। আমাদের এই সামাজিক অবস্থানকে সুরক্ষিত রাখতে হবে।