সদ্য নির্মিত জাতীয় সড়ক ধ্বসে পড়ার প্রতিবাদে জাতীয় সড়ক অবরোধ তৃণমূলের


সদ্য নির্মিত জাতীয় সড়ক ধ্বসে পড়ার প্রতিবাদে জাতীয় সড়ক অবরোধ তৃণমূলের

১১ মার্চ মেমারি থানার অন্তর্গত সরডাঙ্গার কাছে ১৯ নং জাতীয় সড়কের উপর নির্মিত একটি অংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। সেই মুহূর্তে কোনো গাড়ি সেখানে ছিল না। থাকলে বহু প্রাণহানি ঘটতে পারতো। তারই প্রতিবাদে ১২ মার্চ দলীয় নির্দেশে জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খানের নেতৃত্বে ১৯ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। উপস্থিত ছিলেন দলের সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক, জেলা এস টি সেলের সভাপতি তারক টুডু, যুব সভাপতি উত্তম হাজারী,শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি তাবারক আলী মন্ডল, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, মহিলা নেত্রী কল্পনা সাঁতরা, ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিট্টু মল্লিক, সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি ওয়াসিম সরকার সহ সমস্ত অঞ্চল সভাপতি ও কর্মী সমর্থকরা। বর্ধমান ও কলকাতার দুই দিকের রাস্তাই অবরোধ করেন তাঁরা। মেহেমুদ খান বলেন, সাধারণ মানুষ তাঁদের বিভিন্ন কাজে যেতে এই রাস্তা ব্যবহার করেন। সারা দিনে হাজার হাজার গাড়ি চলাচল করে এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা দিয়ে। নিম্নমানের কাজ করার জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ভেঙে পড়ে। দেশের জাতীয় সড়কের এই নিম্ন মানের কাজের জন্য তারা প্রধান মন্ত্রীর কাছে জবাব চান। তিনি বলেন সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে তারা দেবেন না। যখন যা ইচ্ছা তাই করে যাচ্ছে এই কেন্দ্রের সরকার। হঠাৎ করে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষকে বিপদের মধ্যে ফেলে দিচ্ছে। তার ব্লকের মধ্যে জাতীয় সড়কের যেটুকু রাস্তা আছে তাতে সব জায়গায় লাইট পর্যন্ত লাগানো নেই। তাঁরা অবিলম্বে ঠিকাদারি সংস্থার লাইসেন্স বাতিল করতে ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানান। ভূতনাথ বাবু বলেন অত্যন্ত নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে এই রাস্তা বানানো হয়েছে। তিনি বলেন, কেন্দ্রের প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ কোম্পানি এই রাস্তা করেছে। অবিলম্বে সেই ঠিকাদারের লাইসেন্স বাতিল করার দাবী জানান তিনি।
শ্রমিক সংগঠনের ব্লক সভাপতি তাবারক আলী মন্ডল বলেন নিম্ন মানের জিনিসপত্র দিয়ে রাস্তা বানিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছেলে খেলা করতে তাঁরা দেবেন না। অবস্থান বিক্ষোভের স্থানে উপস্থিত ছিল জামালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কৃপাসিন্ধু ঘোষের নেতৃত্বে পুলিশবাহিনী। কিছুক্ষণ ধরে অবস্থান বিক্ষোভ করে অবরোধ তুলে নেওয়া হয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে।