কাশ্মীরের ঘটনায় পথে নামলো এসএফআই II মায়ের মৃত্যুর পর তার ইচ্ছা পূরণে উদ্যোগী মল্লিক পরিবার II ভুয়ো ভোটার সনাক্তকরণে একটানা ৫০ দিন বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন কাউন্সিলর

1
কাশ্মীরের ঘটনায় পথে নামলো এসএফআই

গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে নিরীহ পর্যটকদের উপর সন্ত্রাসবাদী হামলার প্রতিবাদে সামিল হল ছাত্র সংগঠন এসএফআই। বামপন্থী এই ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে বর্ধমানের পার্কাস রোডে এক বিক্ষোপ মিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিল থেকে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে স্লোগান দেন ছাত্রছাত্রীরা। তারা দাবি জানান, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্যাম্পাস সহ সারা দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। আর তারজন্যই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আগামী ২৮ ও ২৯ এপ্রিল জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ কর্মসূচীর ডাক দেওয়া হয়েছে এসএফআই-এর পক্ষ থেকে। দুদিন ধরে এই কর্মসূচী পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদিকা উষসী রায় চৌধুরী।

2
মায়ের মৃত্যুর পর তার ইচ্ছা পূরণে উদ্যোগী মল্লিক পরিবার

মা মন্দিরা দেবীর ইচ্ছে ছিল তার মৃত্যুর পর তারই জমানো অর্থে যেন গ্রামের কচিকাঁচাদের একদিন খাওয়ানো হয়। মায়ের সেই ইচ্ছা পূরণে তার তিন সন্তান বিশ্বজিৎ মল্লিক, ইন্দ্রনীল মল্লিক ও মুনমুন ব্যানার্জী আন্তরিকভাবে উদ্যোগী হন। বর্ধমানের বাসিন্দা মল্লিক পরিবারের সদস্যরা মায়ের ইচ্ছা পূরণে উপস্থিত হন তাদের গ্রামের বাড়ি গলসীর কোলকোল গ্রামে। সেখানে স্থানীয় শিশু ও তার মায়েদের একসঙ্গে বসিয়ে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয় মল্লিক পরিবারেরই রাম মন্দির প্রাঙ্গণে। এমন প্রায় সাড়ে চারশো জনকে বসিয়ে খাওয়ানোর আয়োজন করেন তারা। এ প্রসঙ্গে বিশ্বজিৎ মল্লিক বলেন, মায়ের আশি বছর বয়স হয়েছিল। তার শেষ ইচ্ছা ছিল মৃত্যুর পর গ্রামের শিশুদের মুখে একটু খাবার তুলে দেওয়ার। মায়ের সেই ইচ্ছে পূরণ করতে পেরে আমরা তিন ভাই বোন খুবই মানসিক তৃপ্তি অনুভব করেছি। মাতৃ আজ্ঞা পালনে গ্রামের কচিকাঁচাদের মাঝে থাকতে পেরে আমাদেরও মনটা ভরে গেছে।

3
ভুয়ো ভোটার সনাক্তকরণে একটানা ৫০ দিন বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন কাউন্সিলর

ভুয়ো ভোটারদের সনাক্তকরণের কাজ তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রাজ্যজুড়ে চলছে। এই কাজ পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান শহরেও বিভিন্ন ওয়ার্ডে করা হচ্ছে। শহরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশান্ত প্রামাণিক একটানা ৫০ দিনের বেশি সময় ধরে তার ওয়ার্ডে মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এবার ওয়ার্ডের ১১৫ নম্বর পার্টে বিভিন্ন ভোটারদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে তাদের সঙ্গে কথা বলছেন কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীবৃন্দ। এ প্রসঙ্গে সুশান্ত প্রামাণিক জানিয়েছেন, তাদের ওয়ার্ডে যাতে কোনোভাবে ভোটার তালিকায় ভুয়ো ভোটারদের নাম না ঢোকে তারজন্য তারা ধারাবাহিকভাবে এই পর্যবেক্ষণের কাজ চালিয়ে চলেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশক্রমে এই কাজ ওয়ার্ডজুড়ে চলছে। তিনি বলেন, এই ওয়ার্ডে প্রকৃত ভোটাররা যাতে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে নিজের ভোট নিজেরা দিতে পারেন, সেই ব্যবস্থাই তারা কার্যকর করতে চান। বিজেপি যেভাবে ভুয়ো ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় ঢোকানোর উদ্যোগ নিয়েছে তা পুরোপুরিভাবেই ব্যর্থ হবে বলে দাবি করেন সুশান্তবাবু।