1
ঘটত্তোলনের মধ্যে দিয়ে শুরু হল বর্ধমানের সোনাপট্টিতে অন্নপূর্ণা পুজো
শনিবার সকালে ঘটত্তোলনের মধ্যে দিয়ে বর্ধমান শহরের সোনাপট্টিতে শুরু হল অন্নপূর্ণা পুজো। এদিন পূজারীরা অন্নপূর্ণা মন্দির থেকে যাত্রা শুরু করে মিঠাপুকুর সিদ্ধেশ্বরী কালীমায়ের মন্দিরের পাশে পুকুর থেকে ঘটত্তোলন করেন। এই ধর্মীয় রীতি পালন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস, প্রাক্তন বিধায়ক উজ্জ্বল প্রামাণিক, বর্ধমান পৌরসভার এমসিআইসি সুশান্ত প্রামাণিক, কাউন্সিলর সাহাবুদ্দিন খান ও স্বীকৃতি হাজরা, বিশিষ্ট সমাজসেবী জয়দেব মুখার্জী, আইনজীবী উদয় কোনার প্রমুখ। ছিলেন এই পুজো কমিটির পক্ষে অন্যতম জগন্নাথ দে সহ অন্যান্যরা। (পজ্)
এদিন এই পুজোমণ্ডপ প্রাঙ্গণে উপস্থিত থেকে বিধায়ক খোকন দাস বলেন, যে কোনো ধর্ম, যে কোনো সম্প্রদায়ের যেকোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান, পূজার্চনা আমাদের প্রত্যেকের কাছেই সমানভাবে গ্রহনীয়। এ কথা আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবারই উল্লেখ করেছেন যে, ধর্ম যার যার উৎসব সকলের। তাঁর সেই বার্তাকে মান্যতা দিয়ে সব ধর্মের সব সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠানে আমরা অংশগ্রহণ করি। সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। সুশান্ত প্রামাণিক বলেন, এই অন্নপূর্ণা পুজো এখানে দীর্ঘদিন ধরে হচ্ছে। প্রতিবছর অত্যন্ত নিষ্ঠা সহকারে পুজোর আয়োজন করা হয়। এখানে ভোগও খাওয়ানো হয়। পুজো চলাকালীন প্রতিদিনই এই মন্দির প্রাঙ্গণে প্রচুর ভক্তের সমাগম ঘটে।
2
মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের নেতৃত্বে প্রতিবাদ মিছিল নাদনঘাটে
সমাজে সাধারণ মানুষের কথা চিন্তাভাবনা না করে সারা দেশজুড়ে জীবনদায়ী ওষুধের দাম ক্রমশ বেড়ে চলেছে। অথচ এ ব্যাপারে কেন্দ্রের সরকারের কোনো সদর্থক ভূমিকা নেই। একদিকে যেমন ওষুধের মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে, তেমনই আবার স্বাস্থ্যবীমার ওপর জিএসটি আরোপ করা হচ্ছে। এরফলে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে যেটুকু সুবিধা পাওয়া যেত তাও সাধারণ মানুষরা আর পাবেন না। অন্যদিকে আবার ক্রমাগত পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি হয়ে চলেছে। এই সমস্ত জনবিরোধী কার্যক্রম হয়ে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকারের মদতে। আর এরফলে নাভিশ্বাস উঠছে সাধারণ মানুষের। এরই প্রতিবাদে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে সারা রাজ্যে প্রতিবাদ মিছিল সংগঠিত করছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হলো পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলী ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে নাদনঘাট বাজার এলাকায়। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। তিনি বলেন, বিজেপির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার সাধারণ মানুষের কথা ভাবে না। তারা খালি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে। এদিকে জীবনদায়ী ওষুধের মূল্য বৃদ্ধি ঘটে চলেছে, অন্যদিকে আবার পেট্রোপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করছে কেন্দ্রীয় সরকার বারেবারে, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের লাগামছাড়া দাম। ফলে সারা দেশের মানুষ আজকে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন। এরই প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমরা আজ পথে নেমে প্রতিবাদ মিছিল করছি। কেন্দ্রীয় সরকার যদি এরপর সাধারণ মানুষের কথা চিন্তাভাবনা না করে তাহলে আমরা আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হতে বাধ্য হবো।
3
জীবনদায়ী ওষুধের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে জামালপুরে তৃণমূলের মিছিল
সারা দেশজুড়ে জীবনদায়ী ওষুধের লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধি এবং নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে জামালপুরে ৬ টি অঞ্চল নিয়ে একটি প্রতিবাদ মিছিল করা হয়। মিছিলটি চৌবেরিয়া পার্টি অফিস থেকে শুরু হয়ে ভেরিলিপুলে শেষ হয়। মিছিলে প্রায় ৫০০০ কর্মী – সমর্থক পা মেলান। উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক সহ সকল শাখা সংগঠনের সভাপতি, অঞ্চল সভাপতি সহ অন্যান্যরা। (পজ্)
বিধায়ক অলোক মাঝি বলেন, কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন নীতিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। সাধারণ খেটে খাওয়া গরিব মানুষ যাদের জীবন দায়ী ওষুধ অত্যন্ত প্রয়োজন, প্রতিনিয়ত তারও দাম এমনভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার যে তাদের জীবনমরণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য এত বৃদ্ধি পেয়েছে মানুষ ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠছে। বাংলার মানুষ এর থেকে পরিত্রাণ পেতে চাইছে। তাই দলনেত্রীর নির্দেশে তারা আজকের এই প্রতিবাদ মিছিল করছেন। (পজ্)
মেহেমুদ খান বলেন, তাদের নেত্রী যখন যা নির্দেশ দেবেন তারা তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে চলবেন। তার নির্দেশেই এই প্রতিবাদ মিছিল করছেন তারা। মিছিল শেষে একটি পথসভাও করা হয় এদিন।


