1
রক্ত দিলেন তৃণমূলের শিক্ষক সংগঠনের সদস্যরা
পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির উদ্যোগে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। বর্ধমানের কালীবাজারে দলের জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কথা কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের মেন্টর মহম্মদ ইসমাইল, রাজ্য তৃণমূল এসটি সেলের সভাপতি দেবু টুডু, বর্ধমান শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তন্ময় সিংহ রায়, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি স্বরাজ ঘোষ, আয়োজক সংগঠনের দুই রাজ্য প্রতিনিধি বিজন সরকার ও উজ্জ্বল মোদক, সংগঠনের জেলা সভাপতি অতনু নায়েক প্রমুখ। এই দিনের শিবিরে শিক্ষকদের রক্তদানে এগিয়ে আসার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে। অতনু নায়েক জানান, এদিন মোট ১০০ জন রক্তদাতা রক্ত দান করেছেন। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিক্ষকরা রক্তদান করবার জন্য এই শিবিরে উপস্থিত হয়েছিলেন। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ব্লাড ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এই সংগ্রহ করেছে বলে জানান অতনুবাবু
2
বর্ধমান উৎসব ময়দানে মাঘ উৎসব শুরু ২০ জানুয়ারি
শিকড়ের টানে মাটির গানে এই বার্তাকে সাথী করে বর্ধমান মাঘ উৎসব ২০২৫ শুরু হচ্ছে ২০ জানুয়ারি। এই উপলক্ষ্যে ১৮ জানুয়ারি বর্ধমান টাউন হল প্রাঙ্গণে এক সাংবাদিক সভার আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান মাঘ উৎসব কমিটির সভাপতি তথা বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশচন্দ্র সরকার সহ কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। এই উৎসব প্রসঙ্গে জানাতে গিয়ে পরেশচন্দ্র সরকার বলেন, এবছর মাঘ উৎসব একাদশ বর্ষে পদার্পণ করলো। এবার মাঘ উৎসব টাউন হলের পরিবর্তে বর্ধমান উৎসব ময়দানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবছর লোকসংগীতের পাশাপাশি আধুনিক গানেরও আসর বসবে মাঘ উৎসবকে কেন্দ্র করে। পরিবর্তনের এই স্রোত সময়ের দাবি ও যুগের দাবি মেনেই করা হয়েছে। পরেশবাবু বলেন, আমাদের শিকড়ের সন্ধান ঐতিহ্যের অনুসরণ নতুন যুগের পিঠে সওয়ার হয়েই চলবে। এই উৎসব চলবে আগামী ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত।
3
ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে বিভিন্ন দাবি আদায়ে কাটোয়ায় পথে নামলো এসএফআই
আবারও পথে নামলো এসএফআই। ভারতের ছাত্র ফেডারেশন পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির ডাকে কাটোয়া মহকুমা শাসকের দপ্তরে অভিযান করা হলো। স্কুলস্তর থেকে কলেজস্তর পর্যন্ত প্রত্যেক ক্ষেত্রেই ছাত্রছাত্রীরা নির্দিষ্ট কিছু সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। স্কুলের বার্ষিক ফি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ২৪০ টাকার বেশি নেওয়া যায় না। অথচ কাটোয়া সাবডিভিশনের অধিকাংশ স্কুলেই ২৪০ টাকার অধিক ফি নেওয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সঠিক রশিদ ছাড়াই এই অর্থ গ্রহণ করা হচ্ছে। কম্পোজিট গ্রান্টের বরাদ্দ অর্থ এক বছরের বেশি সময় ধরে বকেয়া পড়ে রয়েছে। স্কুলে সঠিক পরিকাঠামো, ছাত্র অনুপাতে পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবে স্কুলগুলো উঠে যেতে বসেছে। কাটোয়া কলেজ, কাঁদরা রাধাকান্ত কুণ্ডু মহাবিদ্যালয়, চন্দ্রপুর কলেজ সহ সাব ডিভিশনের জেনারেল ডিগ্রী কলেজ গুলোয় মেয়াদোত্তীর্ণ ছাত্র সংসদ অবৈধ ভাবে কলেজের বিভিন্ন কাজ পরিচালনা করছে। তাদের পরিচালিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে অর্থ বরাদ্দ করা হচ্ছে। স্কুল বা কলেজ ক্যাম্পাস কোথাও জিএস ক্যাশ সেল নেই। স্যানিটারি ন্যাপকিনের ভেন্ডিং মেশিন নেই। এগুলো সহ আরও নানান সমস্যায় ছাত্রছাত্রীরা ভুক্তভুগী। ডিআই অফিসে স্কুলের উল্লেখিত সমস্যা ও কলেজের সমস্যাগুলি নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে কলেজ কর্তৃপক্ষ ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানালেও আখেরে কোনো সমাধান হয়নি। তাই এবার কাটোয়া সাব ডিভিশনের সর্বোচ্চ আধিকারিক এসডিও-র কাছেই যাওয়া হল এসএফআই এর পক্ষ থেকে। (পজ্)
মূলত ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক উপায়ে ছাত্রসংসদ নির্বাচন, স্কুলের বর্ধিত ফি ফেরত, বকেয়া কম্পোজিট গ্রান্ট প্রদান এবং বরাদ্দ বৃদ্ধি, স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ, প্রতিটি ক্যাম্পাসে GSCASH গঠনের দাবি নিয়ে এই অভিযান করা হয়। পাশাপাশি কাটোয়া মহকুমা শাসককে ডেপুটেশনও দেওয়া হয়। প্রথমে ডেপুটেশন সরাসরি নিতে না চাইলেও সাময়িক বিক্ষোভের পর মহকুমা শাসক ডেপুটেশন গ্রহণ করেন। এই অভিযানে বক্তব্য রাখেন ভারতের ছাত্র ফেডারেশন পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির সভাপতি প্রবীর ভৌমিক, সম্পাদক উষসী রায় চৌধুরী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সদস্য অয়ন ঘোষ সহ অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ। মিছিলের শেষে এসএফআই পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির পক্ষ থেকে আগামী ২২ জানুয়ারি কালনায় মহকুমা শাসক দপ্তর এবং ২৮ জানুয়ারি বর্ধমানে জেলাশাসকের দপ্তর অভিযানে সকল ছাত্রছাত্রীদের যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয় এসএফআই নেতৃত্বদের পক্ষ থেকে
4
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে গুণীজন সম্বর্ধনা ও সম্মিলনী উৎসব
নানান সমাজকল্যাণমূলক কর্মে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা “আমার পাঠশালা”-র উদ্যোগে বর্ধমানের আদর্শ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পন্ডিত ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর ও স্বামী বিবেকানন্দের প্রতিকৃতিতে মাল্যদানের মাধ্যমে পালিত হলো বর্ষবরণ-২০২৫, গুণীজন সংবর্ধনা ও সম্মিলনী উৎসব। অনুষ্ঠানে পাঠশালার শিশুদের দ্বারা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি তাদের সকলের মধ্যে কেক বিতরণ করেন শেখ সামসুদ্দিন। শিখন সামগ্রীও এখানকার শিশুদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। শিখন সামগ্রী বিতরণ করেন মন্তেশ্বর ব্লক প্রাইমারি হসপিটালের কমিউনিটি হেল্থ অফিসার পিয়ালি রায়। এছাড়াও সকালের টিফিন ও ভাত, আলুভাজা, আলুপোস্ত, চিকেন, মিষ্টি, চাটনি সহযোগে মধ্যাহ্ন ভোজনেরও ব্যবস্থা করা হয়। মধ্যাহ্ন ভোজনের ব্যয়ভার বহন করেন পলাশ চৌধুরী ও লাবণ্য রায়। আমার পাঠশালা-র সম্পাদক সন্দীপ পাঠক বলেন সকলেই সমবেত প্রচেষ্টায় এদিনের এই উদ্যোগকে সার্থক করে তোলা হয়েছে।।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন A. I. of Schools প্রিয়ব্রত মুখার্জী, S. I. of Schools মৌমিতা সরকার, সমগ্র শিক্ষা মিশনের ডিস্ট্রিক্ট কোঅর্ডিনেটর শাসমল হাটি, বিশিষ্ট সমাজসেবী ড: আবুল হাসান, জাতীয় শিক্ষক ড: সুভাষ চন্দ্র দত্ত, শিক্ষারত্ন পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক পলাশ চৌধুরী, শিক্ষিকা লাবণ্য রায়, শিক্ষক রাজীব কুমার হুই, বিশিষ্ট সুরকার ও সংগীত শিল্পী বিশ্বরূপ চক্রবর্তী, রোটারি ক্লাব বর্ধমান এর প্রেসিডেন্ট সুব্রত মুখার্জী ও সাবর্ণ রায়, মিলিত প্রয়াসের পক্ষ থেকে প্রতনু রক্ষিত, স্টার্ট আপ ফাউন্ডেশন-এর পক্ষ থেকে পার্থপ্রতিম মিত্র, বিশিষ্ট সুরকার ও শিল্পী বিশ্বরূপ চক্রবর্তী ও বিশিষ্ট সাংবাদিকগণ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। আমার পাঠশালা-র পক্ষ থেকে ছিলেন সম্পাদক সন্দীপ পাঠক, সভাপতি মিন্টু পান্ডে, রাজকুমার লাহা, কামরুজ্জামান চৌধুরী, কালিশঙ্কর বিশ্বাস, মোশারফ হোসেন, সৌরভ পাঁজা, স্বরাজ কুমার পাল, সুবোধ মালিক এবং রত্না সান্তারা। (পজ্)
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দকে আমার পাঠশালা-র পক্ষ থেকে পাঠশালা-র ক্যালেন্ডার, মেমেন্টো, উত্তরীয় এবং পেন দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পাঠশালা-র পিছিয়ে পড়া, সুবিধা বঞ্চিত শিশুরা আনন্দের সঙ্গে অনুষ্ঠানটিকে উপভোগ করে। এই অনুষ্ঠানকে সফল করে তোলার জন্য এই শিশুদের আন্তরিক প্রচেষ্টাও ছিল অনবদ্য।


