1
দেবদাস স্মৃতিমেলার অন্যতম আকর্ষণ হাজার টাকা দামের মিষ্টি
দেবদাস উপন্যাস কে কেন্দ্র করে হাতিপোতা গ্রামে চলছে দেবদাস স্মৃতি মেলা। এই মেলার মূল আকর্ষণ পেল্লাই সাইজের মিষ্টি।
বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা দেবদাস উপন্যাস। এই উপন্যাসের নায়ক দেবদাস মিষ্টির ভক্ত ছিল কিনা তা অবশ্য কারো জানা নেই। তবে দেবদাসকে ঘিরে কালনা মহকুমার নান্দাই পঞ্চায়েতের হাতিপোতায় দেবদাস স্মৃতিমেলা প্রাঙ্গণ শুধুই যেন মিষ্টিময়। এ মিষ্টি আবার যে সে মিষ্টি নয়। পিল্লাই সাইজের মিষ্টি। এই মিষ্টিকে ঘিরে মানুষের ব্যাপক উন্মাদনা। এক একটি মিষ্টির দাম ২০০০ টাকা। ৩০০০ টাকার মিষ্টি ও এই মেলায় পাওয়া যাচ্ছে। এক একটি মিষ্টির ওজন ১০ থেকে ১৫ কেজি। এই মিষ্টির স্বাদ নিতে বহু মানুষ ভিড় করছেন মেলায়। এখানে শুধু বড় বড় সাইজের মিষ্টিই পাওয়া যায় এমন টা নয়।এখানে 5,10,50,100, 500 টাকা দামের মিষ্টি ও পাওয়া যায়। মেলায় আগত এক মিষ্টি ব্যবসায়ী জানান এই মিষ্টি নিয়ে মানুষের প্রচুর আগ্রহ। তিনি বলেন দিন দিন এই মিষ্টির চাহিদা বেড়েই চলেছে। বিক্রি বাট্টা ও ভালো হচ্ছে বলে জানান তিনি
2
তন্তুজের চেয়ারম্যান হলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ
তন্তুজের পদাধিকারী নির্বাচন পর্ব অনুষ্ঠিত হলো নির্বাচন বিধি অনুযায়ী ।
চেয়ারম্যান হলেন মাননীয় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ভাইস চেয়ারম্যান হলেন ডিরেক্টর জয়দেব শীল।
সুস্থ ভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হলো আগামী 5 বছরের জন্যে।
3
মেদিনীপুর হাসপাতালে প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনায় স্মারকলিপি প্রদান
রাজ্যে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে প্রসূতি মহিলার দেহে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়া জাল ওষুধ ও বিষ স্যালাইন প্রদান করার ফলে ওই মহিলার মৃত্যু হয়। ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতের ছাত্র ফেডারেশন , ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন ও ভারতের গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির পক্ষ থেকে পূর্ব বর্ধমান জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। CMOH অফিসে এসে এই স্মারকলিপি দেওয়া হয়।মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন আমাদের জেলার কোথাও না ঘটে তা নিশ্চিত করতে এবং জেলার সর্বত্র যাতে স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মী, আধিকারিক ও পরিচালক মন্ডলী সর্বদা তাদের সঠিক নৈতিক দায়িত্ব পালন করেন তা নিশ্চিত করতে ও তার পাশাপশি জেলার সমস্ত স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ও সরকারি হাসপাতাল গুলিতে রোগীদের চিকিৎসার জন্য সঠিক ওষুধ ও অন্যান্য চিকিৎসা সামগ্রী ব্যবহার করা হয় তা সুনিশ্চিত করতে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এই স্মারকলিপি কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন এসএফআই পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদক উসষী রায় চৌধুরী, সভাপতি প্রবীর ভৌমিক , অমৃত রায়, DYFI পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদক শুভাশিস মিত্র , জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য অনির্বাণ রায় চৌধুরী, সূর্যেন্দু বোস, AIDWA জেলা সম্পাদক সুপর্ণা ব্যানার্জী , নাজমা বেগম প্রমুখ । এদিন জেলা CMOH অফিসে ডেপুটেশন কর্মসূচী শেষে CMOH অফিস থেকে বর্ধমান রাণীগঞ্জ চৌমাথা পর্যন্ত মিছিল সংগঠিত হয়। মিছিল শেষে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। এদিন বিক্ষোভ কর্মসূচী থেকে ছাত্র, যুব, মহিলা নেতৃত্বের পক্ষ থেকে বলা হয়, যদি দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তি না দেওয়া হয় এবং জেলার সমস্ত সরকারি বেসরকারি হাসপাতাল ও চিকিৎসা কেন্দ্রগুলিতে চিকিৎসারত রোগীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা না হয়, তাহলে আগামী দিনে তীব্রতর আন্দোলনের পথে নামা হবে। সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলবে না।
4
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের পিঠে ব্যাগের বোঝা কমাতে বিশেষ উদ্যোগ
বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠরত শিশুদের পিঠে ব্যাগের বোঝা কমাতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করলো এই শহরের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বর্ধমান শহরের শ্রী রামকৃষ্ণ সারদা বিদ্যাপীঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুরু হল ‘নো ব্যাগ ডে’। এবার থেকে এই বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা ব্যাগ ছাড়াই বিদ্যালয়ে আসবে। পঠনপাঠন হবে মজাদার পদ্ধতিতে, এমনটাই জানাচ্ছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি এক সকালে শ্রী রামকৃষ্ণ সারদা বিদ্যাপীঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজন করা হয় ফুড ফেস্টিভ্যালের। বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবকরা মিলে পিঠে,ফুচকা, কর্নফেক্স, মিষ্টির স্টল সাজান। নানা স্বাদের খাবারের স্বাদ নেওয়ার পর এই প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা স্কুল পরিদর্শক( প্রাথমিক) দেবব্রত পাল, এ আই প্রিয়ব্রত মুখোপাধ্যায়, অতনু হাজরা, এস আই শতাব্দী বিশ্বাস সহ অন্যান্যরা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পলাশ চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, রাজ্য সরকার প্রতি শনিবার বিদ্যালয়ে ‘আনন্দ পরিসর দিবস’ পালনের কথা বলেছে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী তারা স্কুলে শনিবার নানান আয়োজন করা শুরু করেছেন। কিন্তু, সেখানে থাকবে না কোনো বই। ছাত্র-ছাত্রীদের পিঠে থাকবে না ব্যাগের বোঝা।
স্কুলের শিক্ষিকা লাবণ্য রায়, পায়েল দত্ত বলেন, শনিবার ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সায়েন্স প্রোজেক্ট, ডিজিটাল ক্যুইজ,পাপেট তৈরী, মাটির কাজ করানো হবে। মজার ছলে ডিজিটাল ক্লাসরুমে হবে ‘আনন্দের পড়াশুনা’। এইসব বিষয়ের জন্য লাগবে না কোনো বই। আনতে হবে না ব্যাগ। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই এই উদ্যোগ তারা পরীক্ষামূলকভাবে গ্রহণ করেছেন।


